Sunday, March 10, 2019

উপার্জন করুন Microworkers এর মত কিছু সাইট থেকে

                            


যারা ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করতে পছন্দ করে তাদের প্রথম পছন্দ হলমাইক্রোওয়ার্কার্স ডট কম।যেহুতো কাজগুলো ছোট তাই ইনকামও কম।তবে মাইক্রোওয়ার্কার্স ডট কম এর মত আরও কিছু ভাল ভাল সাইট আছে,যেখান থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে ঠিক মাইক্রোওয়ার্কাস এর মত।
তাহলে বুঝতেই পারছেন,আজকে আপনাদের মাইক্রোওয়ার্কাস এর মত কিছু টপ সাইটের লিঙ্ক দিব যাতে পছন্দমত কয়েকটি সাইটে কাজ করে ভাল ইনকাম করতে পারেন।

minuteworkers: 
এটি মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মতো একটি সাইট যেখানে প্রতিদিন বায়াররা তাদের কাজ পোস্টিং করে থাকে এবং ওয়ার্কাররা সেই কাজগুলো করে থাকে।ফ্রিতে একাউন্ট খোলা যায়।এখানে কাজ করে সেই কাজের সত্যতার প্রমান দিতে হয়,নির্দিষ্ট সময় পর বায়াররা সেই কাজের জন্য পেমেন্ট দেয় ওয়ার্কারের একাউন্টে।এই সাইট থেকে ওয়ার্কার/ব্যবহারকারীরা পেমেন্ট নিতে পারে পেপলের মাধ্যমে।

rapidworkers:
এটি প্রায় মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মতই।এখানে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় ১০ সেন্ট থেকে শুরু করে প্রায় ২ ডলারের মত,কখনও কম কিংবা বেশী হয়ে থাকে।
এখানকার কাজগুলো হয়ে থাকে-ইউটিউবে ভোট দেয়া,টুইটারে ফলো করা,বিভিন্ন জায়গায় সাইনআপ করা এই জাতীয় প্রায় অনেক কাজ থাকে।এখানেও কাজ করে তার সত্যতা প্রমান করতে হয়।পেমেন্ট দেয় পেপলে।মিনিমাম পে-আউট করে ৪ ডলার।

myeasytask:
এই সাইটটিও অন্যান্য সাইটগুলোর মতই।বিভিন্ন জায়গায় সাইনআপ,ভোট,লাইক ইত্যাদি কাজ পাওয়া যায় এখানে।কাজ করে সত্যতা প্রমান করতে হয়।পেমেন্ট নেয়া যায় চেক বা পেপলে।মিনিমাম পে-আউট ১০ ডলার।

jobboy:
ছোটখাট কাজের জন্য এটিও বেশ ভাল সাইট।প্রায় ৬২,০০০ এর মত ব্যবহারকারী রয়েছে তাদের সাইটে।তারা সাইনআপের জন্য ১ ডলার দিয়ে থাকে।প্রতিদিন অনেক কাজ পাওয়া যায় এখানে।মিনিমাম পে-আউট ১০ ডলার।

shorttask:
নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটি ছোট ছোট কাজ করার একটি সাইট।অনেক লোকই এখানে কাজ করে থাকেন।তাদের দেয়া হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে ১২৫,০০০ ওয়ার্কার রয়েছে তাদের সাইটে।ওয়েবসাইট ভিজিট,সাইনআপ,ডাউনলোড,ইউটিউব কমেন্ট এধরনের কাজ পাওয়া যায় এখানে।

mturk:
এটিও মাইক্রোয়ার্কার্স এর মতই।এখানে ইউটিউব কমেন্ট,ফেসবুক লাইক,ছবিতে লাইক দেয়া,ছোট কাজ সহ নানারকম কাজ পাওয়া যায়।এখানে কোন মিনিমাম পে-আউট নেই।এই সাইটটি আমাজনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

desklancer:
এটি ফ্রিল্যান্সার ও মাইক্রোওয়ার্কার সাইটগুলোর মাঝামাঝিতে পড়ে।সাইটটির ভাষা অনুযায়ী এটি ক্রাউডসোর্সিং সাইট।এখানেও অন্যান্যগুলোর মতো লাইক,কমেন্ট,ডাউনলোডের কাজ করা যায় এছাড়াও কিছু ব্যতিক্রমধর্মী কাজ পাওয়া যায় এখানে।এখানে সাইনআপ বোনাস ১ ডলার।সর্বনিম্ন পে-আউট পেপলে ১০ ডলার।এছাড়া ভাউসার ও চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে।

এছাড়াও অনলাইনে সার্চ করলে এরকম অনেক সাইট পাওয়া যাবে।

ফ্রিল্যান্সিং কি,কেন করবেন,কোথায় করবেন?


  • ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ দাড়ায় মুক্ত পেশা,স্বাধীনভাবে কাজ করা।যারা স্বাধীনভাবে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার।চাকরি যেমন একটি পেশা তেমনি Freelancing একটি পেশা।চাকরি করতে হলে অফিসের বস বা যার চাকরি করেন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হয়।কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন অফিসের বসের কথা না মানলেও চলবে কারন আপনি নিজেই নিজের বস,ইচ্ছা হলে কাজ করবেন,না হলে করবেন না।ফ্রিল্যান্সিং সাধারনত দুভাবেই করা যায় অনলাইন এবং
    অফলাইন।মূলত অনলাইনেই ফ্রিল্যান্সিং বেশী করা হয়ে থাকে।মূলত উন্নত দেশগুলোর কাজের রেট খুব বেশী তাই তারা চান তাদের কাজগুলো তারা নিম্নআয়ের দেশের লোকেদের কাছ থেকে করিয়ে নেবেন।এতে তাদের খরচ কমবে।তেমনি নিম্নআয়ের দেশের লোকেরা সেই কাজগুলো করে দিলে যথেষ্ট উপার্জন করতে পারবে।বেশীরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশী ক্লায়েন্টরা তাদের এই কাজগুলো সরাসরি করান না এবং যারা এসব কাজ করে দেন তারাও সরাসরি করে দেন না।এ দুইয়ের মাঝে থাকে একটি মার্কেটপ্লেস যাকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।এখানে ক্লায়েন্টরা কাজ জমা করেন এবং ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ করে দেন,বিনিময়ে অর্থ পান।অনলাইনে বহু মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাওয়া যায়।প্রশ্ন করতে পারেন কাজগুলো কি কি?নানারকম কাজ পাওয়া যায়।এককথায় বলতে গেলে কম্পিউটার দিয়ে যা যা করা সম্ভব প্রায় সবই।তবে বাংলাদেশীরা যে কাজগুলো বেশী করে তা হল-গ্রাফিক্স ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন,ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

কেন করবেন:
প্রথমেই বলা হয়েছে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা।এটা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কারনে করতে পারেন।নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।তবে সাধারনত যেসব কারনে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন তার একটা নমুনা তুলে দেওয়া হচ্ছে-

    বেতন কম:
  • অনেকে রয়েছেন যিনি কোন সরকারী বা বেসরকারী চাকরি করেন,কিন্তু তার বেতন কম।এজন্য তিনি অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে তার আয় বাড়ান।এমন উদাহরনও আছে যে অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

       ছোটখাট ব্যবসা:
  • কেউ কেউ খুব ছোট আকারে ব্যবসা করেন,ব্যবসাতে তার সময়ও তেমন ব্যয় হয় না তেমনি সেখান থেকে তার খুব বেশী লাভও আসে না।এখন তিনি চান তিনি তার ব্যবসা করার সময় বাদ দিয়ে যে অতিরিক্ত সময় পান সেই সময়ে তার যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করবেন একইসাথে তার সময়কে কাজে লাগানো হবে।

       পেশা হিসাবে:
  • কেউ কেউ এটাকে তার পুরোপুরি পেশা হিসাবে নিতে চায়।কারন হিসাবে বলা যায় সে কম্পিউটারের বেশ কিছু বিষয়ে খুবই পারদর্শী,এখন তিনি চাচ্ছেন তিনি সেই দক্ষতাটাকেই কাজে লাগাবেন।একদিকে তার অর্থ উপার্জন হবে অন্যদিকে তার দক্ষতাগুলো আরো ধারালো হবে।তাছাড়া যোগ্য ব্যক্তিকে বেশী দেরী করেত হয় না কাজ পেতে,কম যোগ্যতাসম্পন্নদের মত।কাজেই তার জন্য এটাই বেশী সুবিধাজনক।

        মুক্তভাবে কাজ করার ইচ্ছা:
  • অনেকে রয়েছেন যারা চাকরি করতে পছন্দ করেন না।স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসেন।মন যখন চায় তখন কাজ করেন,না চাইলে করেন না।কিন্তু প্রচলিত চাকরিতে এ ধরনের কোন সুযোগ নেই কারন-আপনি যার চাকরি করবেন তার কথা শুনতেই হবে।এখানে নিজের ইচ্ছার কোন মুল্য নেই।সাধারনত এ সমস্ত মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন।এর বাইরে আরো নানাধরনের কারন থাকতে পারে।

কোথায় করবেন:

  • বিক্রেতারা তাদের পন্য বিক্রি করেন বাজারে,ক্রেতাও সেখানে পন্য কেনেন।কিন্তু কেনাবেচার কাজটা হয় বাজারে।তেমনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে দরকার ফিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।অনলাইনে অনেক ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস রয়েছে তাদের ভিতর নামকরা কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দেওয়া হল-




www.upwork.com
www.freelancer.com
www.elance.com
www.guru.com
www.vworker.com
www.getacoder.com

Friday, March 1, 2019

ফ্রিল্যান্সিং করতে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে কি?





ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং পেশায় আপনাকে কাজ করতে হবে, বাহিরের দেশের বায়ার কিংবা ক্লায়েন্ট অথাব কোন কোম্পানির সাথে, সেক্ষেত্রে কমিউনিকেশন খুব ই জরুরী একটা বিষয়।  নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করে কাজ পেতে নিয়মিত তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে, কাজ পেতে তাদেরকে কনভিন্স করতে বিভিন্ন সময় মিটিং করতে হবে অনলাইনে।  এ জন্য ইংরেজি জানা অবশ্যক এবং ইংরেজিতে দক্ষতা থাকা ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং প্রফেশনের আসার প্রথম শর্ত।   এছাড়াও যারা বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখির কাজ করতে চান যেমন কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগিং কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সেক্ষেত্রে আপনাকে ইংরেজিতে খুবি দক্ষ হতে হবে।

ইন্টারনেট সম্পর্কে মোটামুটি জানি/ জানি না, আমি কি করতে পারবো?




ইন্টারনেটে কোনো কাজ করতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক। কম্পিউটারের বেসিক হিসেবে আপনাকে জানতে হবে এমএসওয়ার্ড, এমএসএক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি আর ইন্টারনেটে কিভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে হয়, মেইলিং এবং ওয়েবসাইট ন্যাভিগেশন সম্পর্কেও জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আরও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে কমিউনিকেশন। এর জন্য ইংরেজিতে দক্ষতাটাও দরকার। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে কাজ শুরু করতে চাইলেই সংশ্লিষ্ঠ বিষয়ে দক্ষতার প্রয়োজন সর্ব প্রথম, তবেই ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করা সম্ভব। এজন্য আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর প্রশিক্ষণ নেওয়া আগে আপনাকে জানতে হবে কোন কোন কাজ অনলাইনে পাওয়া যায়, সেগুলো থেকে আপনাকে আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ ফিল্ড বেঁছে নিতে হবে, কি কি জানতে হবে, ঐ ফিল্ডের ভবিষ্যৎ কি! মোটামুটি পরিশ্রমী হলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা ইমেইল মার্কেটিং কোর্স করতে পারেন। আর ইংরেজিতে যদি খুব ভালো হন তাহলে ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার যদি আঁকাআঁকি ভালো লাগে/ক্রিয়েটিভিটি থাকে তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে পারেন। আবার আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক নলেজ থাকে তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন। এছাড়াও আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং সিএমএস ভিত্তিক কোর্স ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন।

Comments System

Disqus Shortname