Wednesday, June 19, 2019

Make a ID card in very easily.

Hey guys,
I am kanchon. Today i am here with a important tips. Yes! this is very important for our online working. Some time lot of internet website want to our personal ID card. But, This is very secure. We don't want to share it anyway to others. So, This post and tips for them, Who don't want to share his personal ID card.


You can create a ID card here in very easily. Just you need to provide some information's here. We will provide you a proper and 100% working ID card. You can use this ID card In different places, like that Facebook, twitter, instagram etc.


So, make your ID card here:


 http://chapabuzz.info/free/nid_old.php



Sunday, March 10, 2019

উপার্জন করুন Microworkers এর মত কিছু সাইট থেকে

                            


যারা ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করতে পছন্দ করে তাদের প্রথম পছন্দ হলমাইক্রোওয়ার্কার্স ডট কম।যেহুতো কাজগুলো ছোট তাই ইনকামও কম।তবে মাইক্রোওয়ার্কার্স ডট কম এর মত আরও কিছু ভাল ভাল সাইট আছে,যেখান থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে ঠিক মাইক্রোওয়ার্কাস এর মত।
তাহলে বুঝতেই পারছেন,আজকে আপনাদের মাইক্রোওয়ার্কাস এর মত কিছু টপ সাইটের লিঙ্ক দিব যাতে পছন্দমত কয়েকটি সাইটে কাজ করে ভাল ইনকাম করতে পারেন।

minuteworkers: 
এটি মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মতো একটি সাইট যেখানে প্রতিদিন বায়াররা তাদের কাজ পোস্টিং করে থাকে এবং ওয়ার্কাররা সেই কাজগুলো করে থাকে।ফ্রিতে একাউন্ট খোলা যায়।এখানে কাজ করে সেই কাজের সত্যতার প্রমান দিতে হয়,নির্দিষ্ট সময় পর বায়াররা সেই কাজের জন্য পেমেন্ট দেয় ওয়ার্কারের একাউন্টে।এই সাইট থেকে ওয়ার্কার/ব্যবহারকারীরা পেমেন্ট নিতে পারে পেপলের মাধ্যমে।

rapidworkers:
এটি প্রায় মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মতই।এখানে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় ১০ সেন্ট থেকে শুরু করে প্রায় ২ ডলারের মত,কখনও কম কিংবা বেশী হয়ে থাকে।
এখানকার কাজগুলো হয়ে থাকে-ইউটিউবে ভোট দেয়া,টুইটারে ফলো করা,বিভিন্ন জায়গায় সাইনআপ করা এই জাতীয় প্রায় অনেক কাজ থাকে।এখানেও কাজ করে তার সত্যতা প্রমান করতে হয়।পেমেন্ট দেয় পেপলে।মিনিমাম পে-আউট করে ৪ ডলার।

myeasytask:
এই সাইটটিও অন্যান্য সাইটগুলোর মতই।বিভিন্ন জায়গায় সাইনআপ,ভোট,লাইক ইত্যাদি কাজ পাওয়া যায় এখানে।কাজ করে সত্যতা প্রমান করতে হয়।পেমেন্ট নেয়া যায় চেক বা পেপলে।মিনিমাম পে-আউট ১০ ডলার।

jobboy:
ছোটখাট কাজের জন্য এটিও বেশ ভাল সাইট।প্রায় ৬২,০০০ এর মত ব্যবহারকারী রয়েছে তাদের সাইটে।তারা সাইনআপের জন্য ১ ডলার দিয়ে থাকে।প্রতিদিন অনেক কাজ পাওয়া যায় এখানে।মিনিমাম পে-আউট ১০ ডলার।

shorttask:
নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটি ছোট ছোট কাজ করার একটি সাইট।অনেক লোকই এখানে কাজ করে থাকেন।তাদের দেয়া হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে ১২৫,০০০ ওয়ার্কার রয়েছে তাদের সাইটে।ওয়েবসাইট ভিজিট,সাইনআপ,ডাউনলোড,ইউটিউব কমেন্ট এধরনের কাজ পাওয়া যায় এখানে।

mturk:
এটিও মাইক্রোয়ার্কার্স এর মতই।এখানে ইউটিউব কমেন্ট,ফেসবুক লাইক,ছবিতে লাইক দেয়া,ছোট কাজ সহ নানারকম কাজ পাওয়া যায়।এখানে কোন মিনিমাম পে-আউট নেই।এই সাইটটি আমাজনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

desklancer:
এটি ফ্রিল্যান্সার ও মাইক্রোওয়ার্কার সাইটগুলোর মাঝামাঝিতে পড়ে।সাইটটির ভাষা অনুযায়ী এটি ক্রাউডসোর্সিং সাইট।এখানেও অন্যান্যগুলোর মতো লাইক,কমেন্ট,ডাউনলোডের কাজ করা যায় এছাড়াও কিছু ব্যতিক্রমধর্মী কাজ পাওয়া যায় এখানে।এখানে সাইনআপ বোনাস ১ ডলার।সর্বনিম্ন পে-আউট পেপলে ১০ ডলার।এছাড়া ভাউসার ও চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে।

এছাড়াও অনলাইনে সার্চ করলে এরকম অনেক সাইট পাওয়া যাবে।

ফ্রিল্যান্সিং কি,কেন করবেন,কোথায় করবেন?


  • ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ দাড়ায় মুক্ত পেশা,স্বাধীনভাবে কাজ করা।যারা স্বাধীনভাবে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার।চাকরি যেমন একটি পেশা তেমনি Freelancing একটি পেশা।চাকরি করতে হলে অফিসের বস বা যার চাকরি করেন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হয়।কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন অফিসের বসের কথা না মানলেও চলবে কারন আপনি নিজেই নিজের বস,ইচ্ছা হলে কাজ করবেন,না হলে করবেন না।ফ্রিল্যান্সিং সাধারনত দুভাবেই করা যায় অনলাইন এবং
    অফলাইন।মূলত অনলাইনেই ফ্রিল্যান্সিং বেশী করা হয়ে থাকে।মূলত উন্নত দেশগুলোর কাজের রেট খুব বেশী তাই তারা চান তাদের কাজগুলো তারা নিম্নআয়ের দেশের লোকেদের কাছ থেকে করিয়ে নেবেন।এতে তাদের খরচ কমবে।তেমনি নিম্নআয়ের দেশের লোকেরা সেই কাজগুলো করে দিলে যথেষ্ট উপার্জন করতে পারবে।বেশীরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশী ক্লায়েন্টরা তাদের এই কাজগুলো সরাসরি করান না এবং যারা এসব কাজ করে দেন তারাও সরাসরি করে দেন না।এ দুইয়ের মাঝে থাকে একটি মার্কেটপ্লেস যাকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।এখানে ক্লায়েন্টরা কাজ জমা করেন এবং ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ করে দেন,বিনিময়ে অর্থ পান।অনলাইনে বহু মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাওয়া যায়।প্রশ্ন করতে পারেন কাজগুলো কি কি?নানারকম কাজ পাওয়া যায়।এককথায় বলতে গেলে কম্পিউটার দিয়ে যা যা করা সম্ভব প্রায় সবই।তবে বাংলাদেশীরা যে কাজগুলো বেশী করে তা হল-গ্রাফিক্স ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন,ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

কেন করবেন:
প্রথমেই বলা হয়েছে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা।এটা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কারনে করতে পারেন।নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।তবে সাধারনত যেসব কারনে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন তার একটা নমুনা তুলে দেওয়া হচ্ছে-

    বেতন কম:
  • অনেকে রয়েছেন যিনি কোন সরকারী বা বেসরকারী চাকরি করেন,কিন্তু তার বেতন কম।এজন্য তিনি অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে তার আয় বাড়ান।এমন উদাহরনও আছে যে অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

       ছোটখাট ব্যবসা:
  • কেউ কেউ খুব ছোট আকারে ব্যবসা করেন,ব্যবসাতে তার সময়ও তেমন ব্যয় হয় না তেমনি সেখান থেকে তার খুব বেশী লাভও আসে না।এখন তিনি চান তিনি তার ব্যবসা করার সময় বাদ দিয়ে যে অতিরিক্ত সময় পান সেই সময়ে তার যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করবেন একইসাথে তার সময়কে কাজে লাগানো হবে।

       পেশা হিসাবে:
  • কেউ কেউ এটাকে তার পুরোপুরি পেশা হিসাবে নিতে চায়।কারন হিসাবে বলা যায় সে কম্পিউটারের বেশ কিছু বিষয়ে খুবই পারদর্শী,এখন তিনি চাচ্ছেন তিনি সেই দক্ষতাটাকেই কাজে লাগাবেন।একদিকে তার অর্থ উপার্জন হবে অন্যদিকে তার দক্ষতাগুলো আরো ধারালো হবে।তাছাড়া যোগ্য ব্যক্তিকে বেশী দেরী করেত হয় না কাজ পেতে,কম যোগ্যতাসম্পন্নদের মত।কাজেই তার জন্য এটাই বেশী সুবিধাজনক।

        মুক্তভাবে কাজ করার ইচ্ছা:
  • অনেকে রয়েছেন যারা চাকরি করতে পছন্দ করেন না।স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসেন।মন যখন চায় তখন কাজ করেন,না চাইলে করেন না।কিন্তু প্রচলিত চাকরিতে এ ধরনের কোন সুযোগ নেই কারন-আপনি যার চাকরি করবেন তার কথা শুনতেই হবে।এখানে নিজের ইচ্ছার কোন মুল্য নেই।সাধারনত এ সমস্ত মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন।এর বাইরে আরো নানাধরনের কারন থাকতে পারে।

কোথায় করবেন:

  • বিক্রেতারা তাদের পন্য বিক্রি করেন বাজারে,ক্রেতাও সেখানে পন্য কেনেন।কিন্তু কেনাবেচার কাজটা হয় বাজারে।তেমনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে দরকার ফিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।অনলাইনে অনেক ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস রয়েছে তাদের ভিতর নামকরা কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দেওয়া হল-




www.upwork.com
www.freelancer.com
www.elance.com
www.guru.com
www.vworker.com
www.getacoder.com

Friday, March 1, 2019

ফ্রিল্যান্সিং করতে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে কি?





ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং পেশায় আপনাকে কাজ করতে হবে, বাহিরের দেশের বায়ার কিংবা ক্লায়েন্ট অথাব কোন কোম্পানির সাথে, সেক্ষেত্রে কমিউনিকেশন খুব ই জরুরী একটা বিষয়।  নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করে কাজ পেতে নিয়মিত তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে, কাজ পেতে তাদেরকে কনভিন্স করতে বিভিন্ন সময় মিটিং করতে হবে অনলাইনে।  এ জন্য ইংরেজি জানা অবশ্যক এবং ইংরেজিতে দক্ষতা থাকা ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং প্রফেশনের আসার প্রথম শর্ত।   এছাড়াও যারা বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখির কাজ করতে চান যেমন কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগিং কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সেক্ষেত্রে আপনাকে ইংরেজিতে খুবি দক্ষ হতে হবে।

ইন্টারনেট সম্পর্কে মোটামুটি জানি/ জানি না, আমি কি করতে পারবো?




ইন্টারনেটে কোনো কাজ করতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক। কম্পিউটারের বেসিক হিসেবে আপনাকে জানতে হবে এমএসওয়ার্ড, এমএসএক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি আর ইন্টারনেটে কিভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে হয়, মেইলিং এবং ওয়েবসাইট ন্যাভিগেশন সম্পর্কেও জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আরও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে কমিউনিকেশন। এর জন্য ইংরেজিতে দক্ষতাটাও দরকার। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে কাজ শুরু করতে চাইলেই সংশ্লিষ্ঠ বিষয়ে দক্ষতার প্রয়োজন সর্ব প্রথম, তবেই ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করা সম্ভব। এজন্য আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর প্রশিক্ষণ নেওয়া আগে আপনাকে জানতে হবে কোন কোন কাজ অনলাইনে পাওয়া যায়, সেগুলো থেকে আপনাকে আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ ফিল্ড বেঁছে নিতে হবে, কি কি জানতে হবে, ঐ ফিল্ডের ভবিষ্যৎ কি! মোটামুটি পরিশ্রমী হলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা ইমেইল মার্কেটিং কোর্স করতে পারেন। আর ইংরেজিতে যদি খুব ভালো হন তাহলে ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার যদি আঁকাআঁকি ভালো লাগে/ক্রিয়েটিভিটি থাকে তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে পারেন। আবার আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক নলেজ থাকে তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন। এছাড়াও আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং সিএমএস ভিত্তিক কোর্স ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন।

Thursday, February 28, 2019

যেভাবে শুরু করবেন…

ধাপ-১ : আপনাকে অবশ্যই কোন না কোন ভালো মানের কাজ শিখতে হবে। এই যেমন ধরেন প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মাইক্রোসফট ওয়াড-এক্সেল এবং ইন্টারনেটের উপর ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অবশ্য ইংরেজি ভাষাটাকেও একটু সমৃদ্ধ করতে হবে। তবে ভয় পাবেন না যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে কোন ইংরেজী ওয়ার্ড বা বাক্যের বাংলা অনুবাদ না করতে পারেন তাহেল আপনি গুগল ট্রেন্সলেটর ইউজ করতে পারেন। এরপর আপনি  এস.ই.ও , এর কাজ শিখেই শুরুকরতে পারেন। 

ধাপ-২ : এসইও এর কাজ শিখে গেলে আপনি ব্যাকলিংক বিল্ডিং এর কাজ করতে পারেন। তবে প্রথমেই বড় কাজে হাত দিবেন না। যেই কাজটি আপনি সহজেই করতে সক্ষম ঐ কাজটিতে বিড করবেন। সেক্ষেত্রে কম আয়ের ছোট ছোট কাজের জন্য বিড করতে পারেন। কি বিড কি জিনিস বুঝতে পারছেন না? “বিড” শব্দটির অর্থ “প্রস্তাব দেওয়া” বা “আবেদন করা”। ওডেক্সে অনেক বায়াররা তাদের বিভিন্ন রকমের কাজের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। এই যেমন ধরেন একজন বায়ারের একটি স্কুল আছে। ঐ বায়ার তার স্কুলটির জন্য একটি লোগো তৈরী করাতে চাচ্ছেন। এখন তিনি তার লোগোর বিবরণ দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এখন আপনি যদি ভালো লোগো ডিজাইন করতে পারেন তাহেল ঐ কাজটিতে আপনি আবেদন করবেন অর্থাৎ বিড করবেন।

 ধাপ-৩ : এখন আপনি আস্তে আস্তে ব্যাকলিংকের কাজে বিড করে যান যদি কাজ পান তাহলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং খুবই যত্নসহকারে কাজটি শেষ করুন। আর যদি কাজ না পান তাহলে মন ভাংঙ্গবেন না। চালিয়ে যান বিড করা আর সেই সাথে ছোট ছোট কাজ করে আপনি অল্পকিছু আয় করতে পারেন মাইক্রোওয়ার্কাস.কম থেকে। এখানে আপনাকে কাজের বিড করতে হবে না। তবে ইনকাম খুবই কম হবে। তাই বলে হাল ছেড়ে দিবেন না। কারণ এই ছোট ছোট কাজ গুলো করেই আপনি নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলিকে বড় করতে থাকবেন যা আপনাকে পরবর্তীতে বড় বড় কাজ পেতে ও কাজ গুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।  লিংকে গিয়ে মাইক্রোওয়ার্কস এ একাউন্ট খুলুন। পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নিন যা আপনার জন্য সহজ হবে তাই শুধু বেছে নিবেন। বেশী টাকার লোভে পড়ে যা পারবেন না তা নিয়ে এগুতে যাবেন না। 

ধাপ-৪: আমি বার বার বলছি ছোট ছোট কাজ করুন ছোট ছোট আয় করুন। কাজ শেষে আপনি যখন দেখবেন আপনার একাউন্টে ডলার জমছে তখন অনেক মজা পাবেন। আর ছোট ছোট কাজ বলতে মাইক্রোওয়ার্কাস এ আপনি বিভিন্ন ফেসবুক লাইক-কমেন্ট-শেয়ার, ইউটিউব সাবসক্রাইব, বিভিন্ন সাইটে সাইন আপ করার কাজ পাবেন। তবে মনে রাখবেন ওডেক্স এবং মাইক্রোওয়ার্কাস এ যে ইমেই আইডি দিয়ে রেজি: করবেন তা আর অন্য কোন সাইটে সাইন আপে ব্যবহার করবেন না। বিভিন্ন সাইটে সাইন আপ করতে হলে নতুন কয়েক টি ইমেইল আইডি তৈরি করে নিন। 

ধাপ-৫ : এই ভাবে ওডেক্সে বিড এবং মাইক্রোওয়ার্কাস এ নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে থাকুন এবং আরোও বিভিন্ন কাজ যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ শিখতে থাকুন। আর নিজের ক্যারিয়ারে করুন সমৃদ্ধ।


 ধাপ-৬ : মোটামুটি ভাবে কাজ শিখা হলে স্থানীয় যেমন আপনার বন্ধু-স্বজনদের ওয়েবডিজাইন এর কাজের প্রয়োজন পড়লে তাদেরকে কাজ করে দিন এতে আপনার কিছু অর্থ উপার্জন হল এবং অভিজ্ঞতাও অর্জন হলো। 


ধাপ-৭ : এখন আপনি আস্তে আস্তে ওডেক্সে ওয়েব ডিজাইন এবং গ্রফিক্স ডিজাইনসহ আরোও যেসকল কাজ শিখেছেন ঐ গুলোতে বিড করতে থাকুন। মনে রাখবেন বিড করার সময় যে সকল ফিল্ড পূরণ করতে হয় তাতে যেন আপনার মেধা-আন্তরিকতা, কাজকরার  ও যথা সময়ে ডেলিভারী দেওয়ার ক্ষমতা প্রকাশ পায়। প্রয়োজনে প্রথম কাজটির মূল্য একদম কমিয়ে দিয়ে বিড করুন। প্রথম কাজে না হয় আপনার পারিশ্রমিক একটু কমই পেলেন। কিন্তু কাজ যদি সঠিক ভাবে ডেলিভারী দিতে পারেন তাহেল কিন্তু আপনার জন্য এই হবে প্লাস পয়েন্ট।


 ধাপ-৮ : ধরেন আপনি কাজ পাচ্ছেন না। তাই বলে কিন্তু বিড করা ছেড়ে দিবেন না। বিড আপনাকে করে যেতেই হবে। সেই সাথে লোকাল মার্কেটেও আপনাকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এতে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়তে থাকবে। আর একদিন না একদিন আপনি ইনশআল্লাহ কাজ অবশ্যই পাবেন। 

ধাপ-৯ : ধরেন আপনি কোন বড় কাজের বিড করলেন এবং কাজটি পেয়েও গেলেন। এখন আপনিতো আর একা কাজ করে কুল কিনারা পাচ্ছেন না। এখন কি করবেন? ভয়ে গুটিয়ে থাকবেন? না কখনই না আপনার সিনিয়র ভাইদের সাথে কথা বলুন। আপনাকে হেল্প করতে বলুন। আর আপনার বন্ধু দের মধ্যে যারা বিড করতে করতে অধের্য্য হয়ে গেছে কিন্তু কাজ পাচ্ছে না, তাদেরকে আপনার কাছে টানুন এবং সকলে একসাথে গ্রুপিং করে কাজটি শেষ করুন। এতে আপনি হয়ে যাবেন গ্রুপ লিডার এবং আপনার বন্ধুরাও কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারল। সেই সাথে আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে আপনার ওডেক্স প্রোফাইল সমৃদ্ধ হল। যা পরিবর্তীতে আরোও বড় কাজে পেতে আপনাকে সহায়তা করবে। আর যেহেতু আপনিই কাজ গুলো ওডেক্স থেকে বিড করে নামাচ্ছেন সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার সহকারীদের কাছ থেকে অল্প বেনিফিট কেটে রাখতে পারেন।

 ধাপ-১০ : এখন ভাবছেন কিভাবে বাংলাদেশে টাকা আনবেন? একদম সহজ এই লিংকে যান বিস্তারিত জানতে পারবেন ফ্রি মাষ্টার কার্ড এবং কিভাবে টাকা ওডেক্স ও মাইক্রোওয়ার্কাস থেকে টাকা মাষ্টার কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনবেন  

freelancer





ফ্রিল্যান্সার হতে চায় অনেকেই। কিন্তু সঠিক দিক নির্দেশনার ও ধৈর্য্যর অভাবে অনেকেই হাল ছেড়ে দেন। আর জড়িয়ে পড়েন হতাশার জীবনে। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে যে, কেউ হারবে আর কেউ জিতবে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে জিতল সে কেন জিতল এবং যে হারলো সে কেন হারলো এটা যদি খুঁজে বের করে সঠিক পন্থায় এগিয়ে যাওয়া যায় তাহলে কিন্তু অবশ্যই আপনার বিজয়ী হওয়ার সম্ভবনা 99.99%  ইনশাআল্লাহ। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাসের পর মাস সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকারের কোর্স / কাজ করে থাকেন। কিন্তু অবশেষে বিড করতে করতে যখন বিরক্ত হয়ে যায় তখন আর হাল ধরে রাখতে না পেরে হাল ছেড়ে দেন। এটা কিন্তু মোটেই ঠিক না। আবার অনেকেই আছেন যারা প্রতিদিন পিটিসিতে প্রচুর সময় ব্যয় করছেন সামান্য কিছু পাওয়ার জন্য। সামান্য কেন বললাম জানেন? কারণ পিটিসি হল এমন একটি ফালতু জিনিস যেখানে আপনি কাজ করবেন 20 থেকে 25 দিন। এই দিন গুলোতে কাজ করে আপনি যে পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করবেন তাতে আপনি খাবার কিনতে পারবেন মাত্র এক বেলার! তারপর আবার রয়েছে ধোকা খাওয়া চিন্তা। কি আশ্চর্য লাগছে এসকল কথা? 


ভালমানোর বা সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু তথ্যাবলী শেয়ার করলাম। আপনি যদি এর চেয়েও ভালো কিছু জেনে থাকেন তাহলে শেয়ার করতে ভূলবেন যেন।



                                      ফ্রিল্যান্সিং কি?




আমি আমার অভিজ্ঞতা ও ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে শর্টকাটে বলছি…. ধরেন আপনি ভালো গ্রাফিক্স ডিজাইন জানেন। বাংলাদেশে যদি আপনি একটি লোগো তৈরি করেন তাহেল আপনি পারিশ্রমিক পান ১০০টাকার মত। কিন্তু এই লোগোটিই যদি ইউরোপের দেশে তৈরি করা হত তাহলে এটির দাম পড়ত কম হলেও 200-250টাকার মত। এখন যদি আপনি বাংলাদেশে থেকে ইউরোপের দেশগুলোর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরি করে দেন তাহলে তাহলে ভাবুন তো আপনি কত টাকা বেশী ইনকাম করতে পারলেন? অথচ কাজ কিন্তু একই। আর আপনার মোট আয়ের 10% এর মত কেটে নিবে যারা আপনাকে এবং আপনার বায়ার কে সংযুক্ত করল। অর্থাৎ যেই ওয়েবসাইট থেকে আপনি কাজটি সম্পর্কে জানতে পারলেন এবং কাজটি সম্পন্ন করলেন। আর এসকল ওয়েব সাইটের মধ্যে upwork হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সাইট।

Comments System

Disqus Shortname